বেশ কয়েক বছর আগে যখন স্পেনে বিশাল দেহের সামুদ্রিক স্কুইডের মৃতদেহ পাওয়া গেল তখনই ধারণা করা হয়েছিল যে এটি বিকট শব্দর কারনে মারা গেছে। বিভিন্ন বণ্য এবং সামুদ্রিক প্রানীর উপরে গবেষণা করে দেখা গেছে যে নির্দিষ্ট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকট শব্দ অনেক প্রানীর সহ্য ক্ষমতার বাইরে এবং শব্দের কারনে তাদের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। ক্যালিফোর্নিয়া প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বার্সোলোনা’র মাইকেল এন্ড্রির নেতৃত্বে একটি দল সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রানীর শব্দ সহ্য ক্ষমতা ও তার প্রভাব এর উপরে গবেষণা করেন। তিনি জানান, “এর আগে সমুদ্রে ডলফিন ও তিমির উপরে শব্দের প্রভাব সম্পর্কে জানা থাকলেও বিভিন্ন প্রজাতির প্রানীদের উপরে শব্দের প্রভাবের উপর এটাই প্রথম গবেষণা”
গবেষণা কাজে তারা ২ প্রজাতির স্কুইড, ১ প্রজাতির অক্টোপাস ও এক প্রজাতির কাতল মাছ মোট ৮৭টি নেন। একাধারে তারা দুই ঘন্টা ১৫৭ থেকে ১৭০ ডেসিবেলে ৫০ থেকে ৪০০ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আওয়াজ করেন। সাধারনতঃ জাহাজ চলার সময়, সামুদ্রিক খনিজ সম্পদ উত্তোলনে ও সামরিক মহরায় সমুদ্রে এই ধরনেরই আওয়াজ সৃষ্টি হয়। এর পর এই সামুদ্রক প্রানীদের গবেষণায় দেখা যায় তাদের স্ট্যাটোকিষ্ট টুস্যু (শব্দ সংবেদনশীল টিস্যু) ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
শুধুমাত্র সামুদ্রিক প্রানীই না বনের পশু পাখির মধ্যেও শব্দ ভীতি কাজ করে। এ বেপারে এন্ড্রি আরও বলেন
This is a typical process found in land mammals and birds after acute noise exposure: a massive acoustic trauma followed by peripheral damage, making the lesions worse over time
তথ্যসূত্র: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি







































