তীরের মতোই সোজা পথে চলে তিমি

 

তিমি মাছের বেশ কিছু মজার মজার বৈশিষ্ট্যের মধ্যে সাম্প্রতিক আরেকটি  জিনিস জানা গেছে তা হলো তারা হাজার হাজার মাইল পথ অতিক্রম করতে পারে একদম সোজাসুজিভাবে। অনেকটা কম্পাসের মতো একটা সুনিদিষ্ট পথ অতিক্রমের মতো বা তার চেয়েও সূক্ষ কিছু একটা।

whal

অনেকে বিশ্বাস করে অনেক প্রানীর ভেতরেই কম্পাস আছে এবং তারা নির্দিষ্ট দিক সম্পর্কে অবগত থাকে যার মাধ্যমে সু-নির্দিষ্ট পথ খুজে পেতে পারে।

সাধারনতঃ জেলেরা সূর্যকে অনুসরণ করে পথ চলে। অনেক পাখিই হাজার হাজার মাইল পারি দিয়ে আসে এবং সঠিকভাবেই তাদের নিজ আবাস্থলে ফিরে যেতে সমর্থ হয়। তবে বিজ্ঞানীরা এখনো সেইসব রহস্যের মৌলিক কোন কারন খুজে বের করতে পারে নাই।

University of Canterbury ‘র বিজ্ঞানী হর্টন এবং তার সহকর্মীরা ১৬ টি তিমির একটি দলকে পর্যবেক্ষণ করেন। তারা মূলতঃ ভূ-উপগ্রহ ট্র্যাকিং টেকনোলজী ব্যবহার করে এবং তিমিদের অনুসরণ করতে থাকে।

ব্রাজিরের পশ্চিম প্রান্ত থেকে তারা তিমি মাছগুলোকে পর্যবেক্ষণ শুরু করেন এবং তিমিগুলো ৬০০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে এন্টারর্টিকের পানিতে পৌছায়। তিমিগুলো ১০০ থেকে ২০০০ কিলোমিটার পথ পর্যন্ত সোজা ভাবে চলেছে।

হর্টন জানান,  তাদের চলার পথে কখনো ১ ডিগ্রীও বাঁক দেখা যায় নি।বর্তমান বিশ্বের সেরা টেকনোলজীর বিমান বা জাহাজ দিয়েও এমন সোজা পথ অতিক্রম করা বেশ কঠিন বেপার। বিশেষ করে সমুদ্রের ঢেউ, সূর্যের অবস্থান এবং কম্পাসের চলাফেরা সবই বেশ আপেক্ষিক।

তথ্যসূত্র: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

লিখাটি নিয়ে আপনার অভিমত কি?