প্রাণীজগতের মজার তথ্য

আমাদের চারপাশের প্রকৃতি আর প্রানীজগত বড় অদ্ভুত। ছোট থেকে বড় প্রাণী, নদী থেকে পাহাড় সবকিছুতে কমবেশি বিস্ময় লুকিয়ে রয়েছে। সেই প্রকৃতি আর প্রাণীজগতের কিছু অবাক করা তথ্যই আজ তুলে ধরব।

১। সরীসৃপ এর ডিম ফুটে ছেলে হবে না মেয়ে হবে তা কিন্তু তার ক্রোমজোম এর উপর নির্ভর করে না।এটি নির্ধারিত হয় বাসার তাপমাত্রার উপর।বাসার তাপমাত্রা যদি ৯০-৯৩ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হয় তবে সেটি একটি ছেলে হবে আর বাসার তাপমাত্রা যদি ৮২-৮৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হয় তবে সেই ডিম ফুটে মেয়ে বাচ্চা হবে।

২। পৃথিবীর সব সাগরে যে পরিমান লবন আছে তা দিয়ে পৃথিবীকে ৫০০ ফুট উচু পুরু লবনের স্তুপ দিয়ে ঢেকে ফেলা যাবে!

৩। একজন মানুষ প্রতিদিন যে পরিমান বাতাস শ্বাস হিসাবে গ্রহন করে তা দিয়ে একটি বা দুটি নয় ১০০০ টি বেলুন অনায়াসে ফোলানো সম্ভব!!!

৪। অলিম্পাস মনস হল মঙ্গলের উচ্চতম পাহাড়। যার উচ্চতা প্রায় ১৫ মাইল। যেটি কিনা আমাদের পৃথিবীর সব চেয়ে উচু পর্বত শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট এর থেকে ও ৩ গুন উচু!!!

৫। আকাশে যে বিজলি চমকায় তার গড় দৈর্ঘ্য ১ কিঃ মিঃ। আর এই ১ কিঃ মিঃ দৈর্ঘ্যের বিজলীর  চমকে  যে পরিমান বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় তা দিয়ে প্রায় ১০,০০,০০০ বাতি জ্বালানো যাবে!!!

৬। শুক্র গ্রহের আকাশে বছরে মাত্র ২ বার সূর্য ওঠে!

৭। কানের কাছে মশা যে গুনগুন করে গান গায় সেজন্য মশার মুখে কোন শব্দ হয় না। এটি তার ডানায় হয়। কারন মশা উড়ার সময় প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার ডানা ঝাপটায়!

৮। জোনাকির শরীরের মোট শক্তির শতকরা ৯৫ ভাগই খরচ হয় রাতের বেলা আলো জ্বালাতে গিয়ে !

৯। আমাদের শরীরে যে পরিমান চর্বি জমা আছে তা দিয়ে প্রায় ৭৬ টি মোমবাতি বানান যাবে।

১০। পৃথিবীতে সব জায়গাতেই সাপের কমবেশি বসবাস রয়েছে। কিন্তু আয়ারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নিউজল্যান্ড, উত্তর ও দক্ষিণ মেরুতে সাপের বসবাস নেই বললেই চলে।যাদের প্রচন্ড রকমের সাপভীতি রয়েছে তারা সেখানে চলে যেতে পারেন। 🙂

১১। অনেক প্রাণী শব্দ উৎপন্ন করতে পারে। আমরা মানুষও অনেক চিৎকার করতে পারি। কিন্তু সবচেয়ে জোরে এবং তীব্র শব্দ কোন প্রাণী করতে পারে জানেন? প্রাণীদের মাঝে নীলতিমির হুইসেলের শব্দ সবচেয়ে তীব্র, প্রায় ১৮৮ ডেসিবল।

১২। পাখিদের মাঝে উটপাখি সবচেয়ে বড়। এটি উড়তেও পারেনা। কিন্তু মজার ব্যাপার হল উটপাখির চোখ এর মস্তিষ্ক থেকে বড় হয়ে থাকে।

১৩। হামিং বার্ড নিয়ে অনেক কিছু আমরা জানি। এটি অনেক ছোট। ওজন এক টাকার কয়েনের মত। কিন্তু এটা কি জানেন যে হামিং বার্ড কখনও হাটেনা। সত্যি বলতে তাদের পায়ের গঠন এত দুর্বল যে তারা হাটতে পারেনা।

লিখাটি নিয়ে আপনার অভিমত কি?

1 COMMENT

Comments are closed.